Adsterra

লোড হচ্ছে...

ভূমিকম্প মোকাবিলায় এখনই প্রস্তুতি জরুরি


ভূমিকম্প মোকাবিলায় এখনই প্রস্তুতি জরুরি, ঢাকা ভয়েস, Dhaka Voice, Trending News, Viral News, Top News

রাজধানীতে এক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের জন্য আগাম প্রস্তুতি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। পরিকল্পনাহীন নগরায়ণ, দুর্বল নির্মাণমান এবং সচেতনতার অভাব ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।আবাসনবিষয়ক মাসিক পত্রিকা আবাসন নিউজের উদ্যোগে বুধবার সকালে ঢাকার সোবহানবাগে একটি হোটেলে ‘ভূমিকম্প পূর্ব ও পরবর্তী প্রস্তুতি: এখনই আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সহ-আয়োজক ছিল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির রিয়েল এস্টেট বিভাগ এবং বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস)। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিয়েল এস্টেট বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আমির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) সভাপতি ড. আদিল মুহাম্মদ খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন  প্রাণ প্রকৃতি পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা জাতীয় কমিটির মুখপাত্র এবং আবাসন নিউজের সম্পাদক ও প্রকাশক ইবনুল সাঈদ রানা। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি পরিকল্পনাবিদ ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, দায়িত্বশীল আচরণ ছাড়া বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়বে। ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, উন্নত দেশ যেমন জাপান ভূমিকম্প বিবেচনায় হালকা ও বৈজ্ঞানিক নকশার ভবন নির্মাণে গুরুত্ব দেয়। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো অনেক ক্ষেত্রে বিল্ডিং কোড মানা হচ্ছে না।পরিকল্পনাবিদ সালমা এ শফি বলেন, রাজধানীতে নিরাপদ খোলা জায়গার অভাব ভূমিকম্পের সময় বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। মানুষ কোথায় আশ্রয় নেবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।এনভায়রনমেন্ট প্রোটেকশন ফোরামের চেয়ারপারসন তাহমিনা রাহমান নেপাল ভূমিকম্প ২০১৫ এর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে স্বাভাবিক একটি শহর কীভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে পারে, তা তিনি নিজ চোখে দেখেছেন। এ ধরনের অভিজ্ঞতা থেকেই এখনই প্রস্তুতির ওপর জোর দেন তিনি।শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ আলী বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ভূমিকম্প-পূর্ব ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

বাংলাদেশ ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক সিকিউরিটি ইকুইপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সব পর্যায়ে দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ে প্রচার বাড়ানো প্রয়োজন।

রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম সুমন বলেন, নীতিমালায় নতুন বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে এবং এই ধরনের আলোচনার সুপারিশগুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছানো জরুরি। ভূমিকম্প সচেতনতা ও করণীয় বাস্তবায়নে রাজউক সহযোগিতা করবে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন       ৩ মে সারাদেশে মিলবে হামের টিকা 

ঢাকাভয়েস/এই

No comments

Powered by Blogger.