রোজায় কোন ফল ,কীভাবে খাবেন
রোজায় সেহেরি ও ইফতারে অনেকেই ফল রাখেন। ফল খেলে দ্রুত শক্তি পাওয়া য়ায়। বিভিন্ন ফলে পর্যাপ্ত পানি ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন থাকে। এসব উপাদান হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। তবে সব ফল সবভাবে বা একই পরিমাণে খাওয়া সবার জন্য সমান উপকারী নাও হতে পারে।
পুষ্টিবিদদের মতে, সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের প্রথম প্রয়োজন পানি, খনিজ ও সহজে হজম হয় এমন খাবার। ফল এই প্রয়োজন দ্রুত পূরণ করে।অনেকেই ইফতারে ফল জুস করে খান। পুষ্টিবিদরা বলছেন, ফলের জুস বানালে আঁশের পরিমাণ কমে যায়। অথচ আঁশ হজমে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে দেয় না। তাই ফল চিবিয়ে খাওয়া বেশি উপকারী। আর যদি জুস করে খেতে চান তাহলে পানি না মিশিয়ে আঁশসহ ব্লেন্ড করে খাওয়া ভালো।
অনেকে ইফতারের অনেক আগে ফল কেটে রাখেন। এটা ঠিক নয়। ফল কেটে অনেকক্ষণ রেখে দিলে পুষ্টিগুণ কমে যায়। এতে জীবাণুও জন্মাতে পারে। কাটা ফল তুই ঘণ্টার মধ্যে খাওয়া সবচেয়ে ভালো। আর ফ্রিজে রাখতে হলে বায়ুরোধী পাত্রে রেখে তারপর খাবেন।
পুষ্টিবিদদের মতে, ইফতার শুরুতে পানি, চিড়া, দই খেয়ে খেজুর খেলে শরীর শক্তি পায়। এরপর ধীরে ধীরে অন্যান্য ফল খান। এতে হজম ভলো হবে। খালি পেটে ভারী ভাজাপোড়া খাবার না খাওয়াই ভালো। কিছু কিছু ফল, যেমন- কাঁচা কলা, পেয়ারা বা অতিরিক্ত আপেল কারও কারও পেটে গ্যাস তৈরি করতে পারে। আবার আনারস বা টক ফল অতিরিক্ত খেলে অ্যাসিডিটি বাড়তে পারে। এ কারণে নিজের শরীরের অবস্থা বুঝে ফল খাওয়া উচিত।
ইফতারে পেঁপে খেতে পারেন। এটি হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। কলা পেট ঠান্ডা রাখে এবং শক্তি দেয়। বাজারে এখন তরমুজও মিলছে। এটি খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। সেই সাথে শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ হয়। ইফতারে একসঙ্গে অনেক ফল না খেয়ে দুতিন ধরনের ফল অল্প পরিমাণে খাওয়াই ভালো। তা না হলে অ্যাসিডিটি, হজমে সমস্যা হতে পারে।
আরও পড়ুন টিউলিপ সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আদেশ
ঢাকাভয়েস/এই

No comments