Adsterra

লোড হচ্ছে...

গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠা কেন দূরে


গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠা কেন দূরে,ঢাকা ভয়েস, Dhaka Voice, Trending News, Viral News, Top News

যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় একটি টেকনোক্র্যাট সরকারের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও নগর পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তথাকথিত ‘শান্তি পর্ষদ’ গঠন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্যে একে ইতিহাসের সেরা পর্ষদ দাবি করে তাতে যোগ দিতে বিভিন্ন বিশ্বনেতাকে ট্রাম্প আমন্ত্রণও জানিয়েছেন। যারা এই পর্ষদে যোগ দিতে চাচ্ছে না, তাদের দেওয়া হচ্ছে হুমকি, চাপ। কিন্তু নিপীড়িত গাজাবাসীর মধ্যে অবিশ্বাস ও সন্দেহের যে বীজ মহিরুহ হয়ে উঠেছে, তাতে তথাকথিত এই শান্তি পর্ষদ আসলেই সেখানে কতটুকু শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারবে, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। অনেকেই এখন বলছেন, গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠা এখনও দূরস্থ। 

মঙ্গলবার আলজাজিরায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ নিয়ে বিষদ আলোচনা করা হয়েছে। এতে বলা হয়,  ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ যখন গাজায় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছিলেন, তখন মনে হয়েছিল সেখানকার মানুষ দীর্ঘকাল ধরে যে খবরের অপেক্ষায় ছিল, তা হয়তো অবশেষে এসেছে। কিন্তু ধ্বংস হয়ে যাওয়া গাজার মাটিতে দাঁড়িয়ে এই ঘোষণাগুলোর প্রতিফলন খুঁজতে গেলে আশার চেয়ে এখন আশঙ্কাই বেশি দানা বাঁধে। 

গাজার বাসিন্দারা বুঝতে পারছেন না, যে পর্ষদ গাজা পুনর্গঠন করবে, সেখানে এমন ব্যক্তিদের কেন রাখা হয়েছে যারা সরাসরি ইসরায়েলকে সমর্থন করেছেন। গাজার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পরিবারগুলো এখনও স্বজন হারানোর শোকে মুহ্যমান। তখন এই অবস্থায় ‘সুশাসন’ নিয়ে আলোচনা বাস্তবের সঙ্গে সম্পর্কহীন বলেই মনে করছেন অনেকে। গাজাবাসী বলছে, যাদের দৈনন্দিন জীবন কাটে ড্রোন আর বিমান হামলার আতঙ্কে, তাদের কাছে এই যুদ্ধবিরতির ‘দ্বিতীয় পর্যায়’ কেবল একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির নামান্তর।

গাজায় ছড়িয়ে পড়েছে ভয়ংকর ভাইরাস

ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি অবরোধের কারণে গাজায় জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশ করতে না পারায় সেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে একটি ভয়াবহ শ্বাসতন্ত্রজনিত ভাইরাস। এতে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটছে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত মানুষের মধ্যে। গাজা আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া আনাদোলু এজেন্সিকে জানান, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আমরা এমন এক স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছি, যার গতি ও ভয়াবহতা আগে কখনও দেখিনি।

গাজায় তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের কোনো স্থান নেই: নেতানিয়াহু

গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের সুযোগ থাকবে না বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত সোমবার ইসরায়েলি সংসদ নেসেটে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে ইসরায়েল। এই ধাপের মূল লক্ষ্য হলো হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং গাজা উপত্যকাকে সামরিকভাবে নিরস্ত্র অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা। তবে যে বাহিনী গঠন হতে চলেছে, সেখানে কাতার ও তুরস্কের কোনো স্থান হবে না। এদিকে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর সদরদপ্তরের ভবনগুলো বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করা শুরু করেছে ইসরায়েল। 

ফরাসি ওয়াইনে ২০০% শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

নিজের প্রস্তাবিত ‘শান্তি পর্ষদে’ ফ্রান্সকে যুক্ত করতে চাপ প্রয়োগের কৌশল নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁকে এই পর্ষদে যুক্ত হতে বাধ্য করতে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেইনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।

সোমবার ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দেন। মাখোঁ এই বোর্ডে যোগ দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমি ফরাসি ওয়াইন আর শ্যাম্পেইনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব। তখন দেখবেন তিনি ঠিকই যোগ দেবেন। 

আরও পড়ুন   ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা  

ঢাকাভয়েস/এই

No comments

Powered by Blogger.