সন্তান অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারে ভুগছে না তো? লক্ষণ মিলিয়ে নিন
ভয়, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তার মতো অনুভূতিগুলো কেবল যে বড়দের হয় তা নয়। আজকাল অল্পবয়সীরাও ভুগছে অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারে। এটি এক ধরনের মানসিক ব্যাধি। এই রোগে ভুগলে ব্যক্তি অতিরিক্ত উদ্বেগ, ভয় এবং উদ্বেগের অনুভূতি অনুভব করে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনার শিশু যদি কোনো কাজ করার আগে নার্ভাস হয়ে যায়, তার হাতের তালু ঘামতে থাকে অথবা সে মানুষের সাথে দেখা করা এড়িয়ে চলতে শুরু করে, তাহলে আপনার সতর্ক হওয়া দরকার। অনেক সময় শিশুরা তাদের উদ্বেগ নিয়ে কথা বলতে চায়, কিন্তু বাবা-মা তাদের কথা উপেক্ষা করেন। যদি শিশুর এই উদ্বেগের সমস্যাটি অবিলম্বে শানাক্ত করে চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে গুরুতর পরিণতি হতে পারে।
যেভাবে বুঝবেন সন্তান অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারে ভুগছে
আপনার সন্তান যদি ঘর থেকে বের হতে লজ্জা পায়, কোনো পার্টি বা আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়া এড়িয়ে চলে তাহলে সচেতন হোন। অ্যাংজাইটিতে ভুগলে কেনাকাটা করতে মার্কেটে যেতেও অস্বীকৃতি জানায়। স্কুলে যেতে বা বন্ধুদের সাথে দেখা করতেও ইচ্ছা পোষণ করে না। এসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হতে হবে। যদি শিশু আগে খেলাধুলা বা কার্যকলাপে অংশগ্রহণে এগিয়ে থাকতো, কিন্তু এখন অংশগ্রহণই করতে চায় না, তাহলে তার কারণ খুঁজুন। অ্যাংজাইটিতে ভুগলে প্রিয় কার্যকলাপ যেমন গান, নাচ বা ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহ কমে যায়। শিশুর এ ধরনের লক্ষণ দেখলে বুঝবেন আপনার শিশু অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারের শিকার। শিশুর অতিরিক্ত ঘাম হলে, শ্বাস নিতে অসুবিধা হলে, পেট ব্যথা-মাথাব্যথা-বমি বমি ভাব বা বমি হলে সচেতন হোন। উদ্বেগ শিশুর ঘুম ও ক্ষুধার উপর প্রভাব ফেলে। শিশু যদি ঘন ঘন অসুস্থ হতে শুরু করে এবং রাতে কম ঘুমায় সে ব্যাপারেও সতর্ক থাকুন। কারণ এগুলোই হতে পারে উদ্বেগজনিত সমস্যায় ভোগার কারণ।
আরও পড়ুন ভয়াবহ মন্দার ঝুঁকিতে বিশ্ব অর্থনীতি: আইএমএফ
ঢাকাভয়েস/এই

No comments