ইফতারে স্বস্তির পানীয়
চলছে রমজান মাস। সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে অনেক সময় পানিশূন্যতার সমস্যা দেখা দেয়। সেই সমস্যা যাতে শরীরের সার্বিক সুস্থতায় উপর প্রভাব না ফেলে সেজন্য রোজা ভাঙার পরে শুধু পানি নয়, কিছু বিশেষ ধরনের শরবত খাওয়া যেতে পারে। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর সন্ধ্যায় প্রথম খাবার হিসেবে পেট ঠান্ডা ও শরীর সতেজ করতে ভাজাপোড়া এড়িয়ে পুষ্টিকর শরবত খাওয়া উচিত। এতে সুগার কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না এবং ক্লান্তি দূর হয়।
শরীরের ক্লান্তি ও শক্তি ফেরাতে দ্রুত যেসব শরবত তৈরি করতে পারেন-
লেবু-মধু জল : এটি সবচেয়ে সহজে তৈরি এবং পেটের জন্য আরামদায়ক। এক গ্লাস হালকা গরম পানি বা ঠান্ডা পানিতে অর্ধেক লেবুর রস ও এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি শরীর ডিটক্সিফাই করে।
ডাবের পানি: এটি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট যা দীর্ঘ উপবাসের পর শরীরের খনিজ ভারসাম্য ফেরাতে সবচেয়ে কার্যকর।
পুদিনা ও জিরার শরবত: শরীর ঠান্ডা করতে এবং হজমের সমস্যা (এসিডিটি) কমাতে পুদিনা পাতা ও ভাজা জিরার গুঁড়ো দিয়ে এই শরবত তৈরি করতে পারেন।তোকমা ও লেবুর শরবত : তোকমা দানা ভিজিয়ে রেখে লেবুর পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন। এটি পেট ঠান্ডা রাখে এবং পেট ভরে যাওয়ার অনুভূতি দেয়।
ঘোল : টক দই, পানি, সামান্য বিট লবণ এবং পুদিনা পাতা মিশিয়ে তৈরি করুন। এটি প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে এবং পাকস্থলীকে শান্ত করে।
ইফতারে যেসব সতর্কতা মেনে চলবেন-
খেজুর দিয়ে শুরু: যে কোনও শরবত বা খাবারের আগে একটি বা দু'টি খেজুর খাওয়া ভালো।
ভাজা-পোড়া এড়িয়ে চলুন: দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর ভাজাপোড়া খেলে হজমের সমস্যা, মাথা ব্যথা ও অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে।
পরিমিত আহার: হালকা খাবার যেমন- ভেজানো ছোলা, ফল, বা মুড়ি খাওয়া যেতে পারে।
আরও পড়ুন দেশের প্রশ্নে সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব: প্রধানমন্ত্রী
ঢাকাভয়েস/এই

No comments