Adsterra

লোড হচ্ছে...

ট্রাম্প অনড়, উত্তেজনা বাড়াতে চায় না ইউরোপ


ট্রাম্প অনড়, উত্তেজনা বাড়াতে চায় না ইউরোপ, ঢাকা ভয়েস, Dhaka Voice, Trending News, Viral News, Top News

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি ও আট দেশের ওপর শুল্ক আরোপের পর ইউরোপের নেতারা প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন। তারা কোনোভাবেই ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে চান না। তবে হুমকি বা পাল্টা আঘাতের পথে যেতে তারা অনিচ্ছুক। মূলত উত্তেজনা এড়িয়ে সমস্যার সমধান করতে চায় ইউরোপ। অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আগের অবস্থানে অনড়। গতকাল সোমবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।   

ইউরোপের নেতারা রোববার ব্রাসেলসে এক জরুরি বৈঠক করেন। এতে বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অগ্রাধিকার হলো, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করা, কোনো ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি করা নয়; বরং  ট্রাম্পকে ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর শুল্ক আরোপ থেকে বিরত রাখার প্রচেষ্টা তীব্র করা। এ জন্য তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিতে যাচ্ছেন।   

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে অনড় রয়েছে। রোববার ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে বলেন, গ্রিনল্যান্ডের সুরক্ষা দেওয়ার সময় এসেছে এবং এখনই তা করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টও বলেছেন, ইউরোপ বুঝতে পারবে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের উদ্দেশ্য সর্বোত্তম। ট্রাম্প নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে বলেছেন, তিনি আর শুধু শান্তির কথা ভাবতে বাধ্যবাধকতা অনুভব করছেন না। কারণ তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। 

ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র ওলফ গিল গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা শুল্ক আরোপ ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করবে। রোববারের ওই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা একটি বিস্তৃত চুক্তিতে পৌঁছেছেন। এই চুক্তির লক্ষ্য হলো, ট্রাম্পকে ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর শুল্ক আরোপ থেকে বিরত রাখার প্রচেষ্টা তীব্র করা। এ ছাড়া শুল্ক কার্যকর শুরু হলে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে চুক্তিতে। 

গত শনিবার ট্রাম্প ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস এবং ফিনল্যান্ডের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। গ্রিনল্যান্ড বিক্রির চুক্তি না হলে এই শুল্ক জুন মাসে গিয়ে বেড়ে ২৫ শতাংশ আরোপ হবে। 

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য বৃহস্পতিবার ইইউ নেতারা আবারও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। এই বৈঠকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বাস্তব বিকল্প প্রস্তুত করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ৯৩ বিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত প্রতিশোধমূলক শুল্ক পুনরায় সক্রিয় করার বিষয়টি। 

শুল্ক এড়াতে ইইউ তৎপর

ইউরোপের নেতারা মার্কিন আমদানির ওপর ৯৩ বিলিয়ন ইউরো শুল্ক আরোপ করার যে চিন্তা করছেন, তা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুরু হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আরেকটি বিকল্প ব্যবস্থা হচ্ছে অ্যান্টি কোর্সিয়ন ইনস্ট্রুমেন্ট বা এসিআই, যা পাবলিক টেন্ডার, বিনিয়োগ বা ব্যাংকিং কার্যকলাপে যুক্তরাষ্ট্রকে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। 

আরও পড়ুন  খাওয়ার পর ১০ মিনিট হাঁটলে কী কী উপকার হয়?  

ঢাকাভয়েস/এই

No comments

Powered by Blogger.