Adsterra

লোড হচ্ছে...

পোষা প্রাণীর যত্ন: খাবার, শীতকালীন সতর্কতা ও মানসিক স্বাস্থ্য

 

পোষা প্রাণীর যত্ন: খাবার, শীতকালীন সতর্কতা ও মানসিক স্বাস্থ্য, ঢাকা ভয়েস, Dhaka Voice, Trending News, Viral News, Top News

পোষ্য প্রাণী পরিবারের অংশ হয়েই থাকে। তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে খাবারের ভারসাম্য, ঋতু অনুসারে যত্ন, টিকাদান এবং মানসিক প্রশান্তি অপরিহার্য।

বাড়ির তৈরি না প্যাকেটজাত খাবার— কোনটি ভালো?

অনেক মালিকের মনে এই প্রশ্ন ওঠে, বাড়ির তৈরি না প্যাকেটজাত খাবার— কোনটি উপযুক্ত? উত্তর নির্ভর করে প্রাণীর অভ্যাসের ওপর।

বাড়ির তৈরি খাবারে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেইট ও চর্বির সঠিক ভারসাম্য রক্ষা করা চ্যালেঞ্জিং। অপরদিকে নামী ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত ‘ক্যাট ফুড’ বা ‘ডগ ফুড’ পুষ্টির দিক থেকে সুষম।

বিড়ালের খাবার যদি ঘরে তৈরি করা হয় তবে খাবারে লবণ, মসলা, তেল দেওয়া যাবে না। মানুষের মতো খাবারে মসলা বিড়াল পছন্দ করে না্ ।

বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্ক বিড়াল দুধ হজম করতে পারে না। ছোটবেলায় মায়ের দুধ খাওয়ার সময় তাদের শরীরে ল্যাকটোজেন এনজাইম থাকে, যা দুধ হজমে সাহায্য করে।

বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই এনজাইম তৈরি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দুধ খেলে পেটব্যথা, বমি বা ডায়রিয়া হতে পারে।

আদর্শ সমাধান হতে পারে মিশ্র পদ্ধতি: দিনে অন্তত একবেলা প্যাকেটজাত খাবার এবং বাকি সময় বাড়ির তৈরি খাবার। এতে পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় এবং প্রাণী বিভিন্ন স্বাদ উপভোগ করে। বাড়ির খাবার তৈরিতে স্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার করতে হবে।

পাখির শীতকালীন যত্ন: বাড়তি সতর্কতা জরুরি

কুকুর-বিড়ালের তুলনায় পাখি অধিক সংবেদনশীল। তাদের ছোট শরীর ঠাণ্ডা সহ্য করতে পারে না, ফলে ব্রঙ্কাইটিস বা ইনফ্লুয়েঞ্জার ঝুঁকি বাড়ে।

খাঁচা এমন স্থানে রাখুন যাতে সরাসরি ঠাণ্ডা বাতাস না লাগে। বারান্দায় থাকলে শীতে ঘরে নিয়ে আসুন। বাইরে রাখলে খাঁচার তিন পাশ মোটা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন।

খাবারে তৈলবীজ (যেমন- সূর্যমুখী বীজ), ডাল ও পোল্ট্রি ফিড যোগ করুন— এগুলো শরীর গরম রাখে।

পানিতে ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম মিশিয়ে দিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে।

টিকাদান: সুস্থতার মূল ভিত্তি

শীত আসার আগে কৃমির ওষুধ ও প্রয়োজনীয় টিকা দিন। কুকুরের জন্য ডিসটেম্পার, পারভোভাইরাস, হেপাটাইটিস ও রেবিস ভ্যাকসিন অপরিহার্য; বছরে একবার বুস্টার দিন।

বিড়ালের ফ্লু ও রেবিস টিকা ছোঁয়াচে রোগ থেকে রক্ষা করে।

পাখির রানীক্ষেত ও ‘ফাউল পক্স টিকা’ ছয় মাস বা বছরে একবার দিন।

মানসিক স্বাস্থ্য: অবহেলিত দিক

শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি গুরুত্বপূর্ণ। একঘেয়েমি দূর করতে জোড়ায় প্রাণী পালুন, যেমন- একজোড়া পাখি বা দুটি বিড়াল।

দিনে নির্দিষ্ট সময় খেলাধুলো, কথা বলা বা আদর করুন। এতে তারা প্রফুল্ল থাকে এবং আয়ু বাড়ে।

সচেতন যত্নে পোষ্য প্রাণীরা সুস্থ ও সুখী থাকবে। আর আমাদের জীবনও সমৃদ্ধ হবে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের পথপ্রদর্শক খালেদা জিয়া    

ঢাকাভয়েস/এই

No comments

Powered by Blogger.