Adsterra

লোড হচ্ছে...

ঠান্ডায় বাতের ব্যথা কমাতে যা করবেন


ঠান্ডায় বাতের ব্যথা কমাতে যা করবেন

এই কনকনে শীতে কায়িক পরিশ্রম করতে গেলেও অনেক বেগ পেতে হয়। ঠান্ডায় শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে প্রচণ্ড ব্যথা ও যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায়। অনেকের ধারণা— বয়স বাড়লে বাতের ব্যথা হয়, হাত-পা ব্যথা করে । কিন্তু এখন এটা শুধুমাত্রই ধারণা— বর্তমানে কম বয়সিরাও ভুগছেন বাতের ব্যথায়। আর্থ্রাইটিস সারা বছর ভোগায়। কিন্তু শীতকালে এর যন্ত্রণা আরও কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে। অনেক সময়ে পায়ের গিঁটাগুলো ফুলেও যায়। তবে এ ধরনের সমস্যা সহজেই এড়ানো সম্ভব। শুধু এক্সারসাইজ করতে হবে এবং লাইফস্টাইলে আনতে হবে রদবদল।

সাধারণত শীতকালে বাতের ব্যথা বাড়ে। ঠান্ডায় অস্থিসন্ধিতে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। তাই জয়েন্টগুলো স্টিফ হয়ে যায় এবং নমনীয়তা কমে আসে। যাদের বাতের সমস্যা রয়েছে, তাদের কাছে এ সময়টা আরও কঠিন। 

এ ছাড়া শীতকালে বাতের ব্যথা বাড়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে— শারীরিকভাবে সক্রিয় না থাকা। ঠান্ডায় অনেকের মধ্যেই শরীরচর্চায় অনীহা দেখা দেয়। আর এটাই ব্যথা ও যন্ত্রণা বাড়িয়ে তোলে।

ঠান্ডায় বাতের ব্যথা কমাতে যা করবেন—

১. ঠান্ডায় বাতের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এক্সারসাইজ করুন। ব্যায়াম করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন সচল থাকে এবং অস্থিসন্ধির নমনীয়তা বজায় রাখে। এর জেরে ব্যথা থেকেও আরাম মেলে। এ মৌসুমে শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকলে শরীরও গরম থাকবে।

২. জয়েন্টে গরম সেঁক দিতে পারেন। গরম সেঁক দিলে ওই জায়গায় রক্ত চলাচল ঠিক থাকবে এবং ব্যথা কমবে। 

৩. বছরভর ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করার অভ্যাস ত্যাগ করে ফেলুন। বিশেষ করে শীতকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করবেন না। এতে বাতের ব্যথা ও ঠান্ডা লাগার ধাত কমবে না। সামান্য গরম পানি দিয়ে গোসল করুন।  এতে শরীরে আরাম মিলবে এবং ব্যথা বাড়বে না।

৪. লবণ, চিনি, ক্যাফেইন ও সোডাজাতীয় পানীয় থেকে দূরে থাকুন। জাঙ্কফুড শরীরে প্রদাহ বাড়িয়ে তোলে। এর জেরে ব্যথা-যন্ত্রণাও বাড়ে। এ ছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। শরীরে ডিহাইড্রেটেড থাকলে, সেটাও পেশির যন্ত্রণা বাড়াতে পারে।

৫. আর্থ্রাইটিসে রোগী হলে এই শীতে একবার চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন। অনেক সময়ে ওষুধের ডোজ বাড়ালে কিংবা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধের সাহায্য নিলেও ব্যথা কমতে পারে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের পথপ্রদর্শক খালেদা জিয়া    

ঢাকাভয়েস/এই

No comments

Powered by Blogger.