Adsterra

লোড হচ্ছে...

ভূমিকম্প আতঙ্ক, ভাঙা হচ্ছে হেলে পড়া ভবন


ভূমিকম্প আতঙ্ক, ভাঙা হচ্ছে হেলে পড়া ভবন,ঢাকা ভয়েস, Dhaka Voice, Trending News, Viral News, Top News

ঢাকার ধামরাইয়ে দেড় বছর আগে হেলে পড়া চারতলা ভবনটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। গত শুক্রবার ভূমিকম্পের পর আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে ভবনটি। উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে শনিবার ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করেছেন মালিক।জানা গেছে, গত বছরের ১২ মে ধামরাই পৌরসভার ধানসিড়ি আবাসন প্রকল্প এলাকার দন্ত চিকিৎসক জিয়াউর রহমান সিকদারের চারতলা ভবনটি পাশের সাততলা ভবনে হেলে পড়ে। সেসময় তৎকালীন পৌর মেয়র, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন এবং সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। বিষয়টি নিয়ে একই বছরের ১৩ মে সমকালে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে পৌর কর্তৃপক্ষ আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। হেলে পড়া ভবনটি আবার আবাসিক হিসেবে ভাড়া দেন মালিক জিয়াউর রহমান সিকদার। এর মধ্যে গত শুক্রবার সারাদেশের ন্যায় ধামরাইয়েও ভূমিকম্প অনুভূত হলে পাশের সাততলা ভবনের মালিক শিরিন মমতাজসহ স্থানীয়রা বিষয়টি প্রশাসনকে জানান। এরপরই ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মামনুন আহমেদ অনীকের নির্দেশে ভবন মালিক শনিবার ভাঙার কাজ শুরু করেন।শনিবার দেখা যায়, চারতলা ভবনটি পাশের সাততলা ভবনে হেলে রয়েছে। তিনতলার বারান্দার রেলিংয়ের ইটের গাঁথুনির অংশটি ফেটে গেছে।ভবন মালিক জিয়াউর রহমান সিকদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ছেলে মোনায়েম সিকদার বলেন, ‘আসলে আগেই এটা আমাদের ভাঙার পরিকল্পনা ছিল। প্রশাসন যতটা ভাঙতে বলবে, সেটা ভাঙতাম। কিন্তু শুক্রবার যে ভূমিকম্প হয়েছে, সে কারণে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য দ্রুত এটা ভাঙার উদ্যোগ নিয়েছি। খুব দ্রুত ভাঙার কাজ শেষ হবে।’ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মামনুন আহমেদ অনীক জানান, দেড় বছর আগে ভবনটি হেলে পড়লেও কী কারণে তখন ভবনটির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি তা তাঁর জানা নেই। তবে শুক্রবার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর আশপাশের ভবন মালিক বিষয়টি তাকে জানান। এরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 আরও পড়ুন     একই স্থানে বারবার কম্পন হলে বুঝতে হবে সামনে বড় বিপদ আসছে: অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ 

ঢাকাভয়েস/এই

No comments

Powered by Blogger.