মিটিংরুমে মোবাইল রেখে অন্যত্র নামাজ পড়ায় প্রাণে বাঁচলেন হামাস নেতারা
মোবাইল ফোন এক জায়গায় রেখে আরেক জায়গায় নামাজ পড়ার কারণেই কাতারে ইসরায়েলের হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান হামাস নেতারা— এমনই দাবি করেছে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম। ব্রিটেনের আরবি গণমাধ্যম আশার্ক আল আওসাতের বরাত দিয়ে জেরুজালেম পোস্ট এবং জিউস ক্রনিকালস এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারে হামাস নেতাদের ফোন ট্র্যাক করে সেই অবস্থানে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। তবে হামাস নেতারা ফোন রেখে অন্যত্র নামাজ পড়ার কারণেই প্রাণে বেঁচে যান।
গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) কাতারে হামাস নেতাদের অবস্থান লক্ষ্য করে একের পর বিমান চালায় ইসরায়েল। গাজায় যুদ্ধবিরতি বন্ধ ইস্যুতে আলোচনার জন্য আবাসিক এলাকার একটি ভবনে অবস্থান করছিলেন হামাসের প্রধান খলিল আল হায়াসহ ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠনটির নেতারা।
তবে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান হামাসের কিছু নেতারা। তাদের অবস্থান করা ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ক্ষতি হয়নি হামাস নেতাদের। তবে এতে ছয় জন নিহত হন, যাদের মধ্যে পাঁচজনই ফিলিস্তিনি ছিলেন।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে, হামাস নেতাদের ফোন ট্র্যাক করে তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা। এরপরই হামলা চালানো হয়।
তবে প্রশ্ন উঠেছে কিভাবে প্রাণে বাঁচলেন হামাস নেতারা? বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে, মোবাইল ফোন রেখে অন্যত্র নামাজ আদায় করতে যান তারা। মোবাইলের অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয় ইসরায়েলি বিমান থেকে। অন্যত্র অবস্থানের ফলে সেই হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান হামাস নেতারা।
ব্রিটেনের আরবি গণমাধ্যম আশার্ক আল আওসাত এই তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, মূল ভবনটিতে ছিলেন না হামাস নেতারা। একই তথ্য জানায় ব্রিটেনের ইহুদিবাদী গণমাধ্যম জিউশ ক্রনিকালস।
মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে হামাস নেতাদের ওপর ইসরায়েলি হামলার ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ইরানেও একই কায়দায় হামলা চালায় ইসরায়েল। যাতে নিহত হন হামাস নেতা ঈসমাইল হানিয়াসহ কয়েকজন শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তা।


No comments